চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় পাহাড় কেটে সানমার প্রোপার্টিজ লিমিটেডের ২৬ তলা বিলাসবহুল ভবন নির্মাণ কার্যক্রম কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) স্থানীয় বাসিন্দা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নূরুল আলমের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণলয়ের সচিব এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ছয়জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল হারুন ভুইয়া রাসেল। তিনি আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চট্টগ্রাম নগরীর জালালাবাদ বায়েজিদ বোস্তামী লিংক রোডে সানমারের এই ‘গ্রীন পার্ক রেসিডেন্স’ নামের ২৬ তলা ভবনের প্রায় ফ্ল্যাট মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়েছে সানমার প্রোপার্টিজ কর্তৃপক্ষ।
এর আগে পাহাড় কেটে ভবন নির্মাণ নিয়ে ‘জরিমানা-বিধিনিষেধ কিছুই ঠেকাতে পারেনি তাদের’ শিরোনামে আজকের পত্রিকায় গত ১৪ জুন সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে তা যুক্ত করে রিট দায়ের করেন নূরুল আলম।
প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রামের বায়েজিদে আড়াই বছর আগে ২৬ তলার বিলাসবহুল ভবন নির্মাণকাজ শুরু করে সানমার প্রোপার্টিজ লিমিটেড। শুরুতেই এক হাজার বর্গফুট পাহাড় কাটার অভিযোগে আবাসন প্রতিষ্ঠানটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছিল পরিবেশ অধিদফতর।
সে সময় কাটা পড়া পাহাড় আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা এবং পূর্বানুমতি বা ছাড়পত্র ছাড়া ভবন নির্মাণ না করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। কিন্তু সানমারের বিরুদ্ধে এসব নির্দেশনার তোয়াক্কা না করেই ভবন নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বলেছে, পাহাড়ের ওপর বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অনুমোদনের সুযোগ নেই।
এসএস/ফোরকান