সকালেরসময় ডেস্ক :: নগরীর কর্ণফুলী থানার এলাকায় প্রবাসীর বাড়িতে ঢুকে ৪ নারীকে ধর্ষণের মামলায় দায়িত্ব নেওয়ার ১২ ঘন্টা না যেতেই ২ আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মঙ্গলবার তাদের গ্রেফতার করা হয়। আটকরা হলেন মিজান মাতব্বর ও আবু সামা।
এ বিষয়ে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো অঞ্চলের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মঈন উদ্দিন বলেন, কর্ণফুলী থানায় সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির ব্যর্থতা স্বীকারের মধ্যে মঙ্গলবার সকালে চাঞ্চল্যকর এই মামলাটির তদন্ত ভার নেয় পিবিআই। প্রথমেই মিজান মাতব্বরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার তথ্যের ভিত্তিতে আবু সামাকে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনার মূল আসামী হচ্ছে আবু সামা। আবু সামাসহ ২ জনকে আমরা গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
তিনি জানান, ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় নেতৃত্বে ছিলেন আবু সামা। সামা ওই এলাকার স্থানীয় হলেও বাকি ৪ জন বহিরাগত। এরআগে কর্ণফুলী থানা পুলিশ যে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে তারা এ ঘটনায় সঙ্গে জড়িত নয় বলে জানিয়েছেন পিবিআই।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বলেন, কর্ণফুলী এলাকায় চার নারীকে ধর্ষণের মামলায় মিজান মাতব্বর নামে এক আসামিকে পিবিআই আদালতে হাজির করেছে পিবিআই। মহানগর হাকিম আল ইমরানের আদালতে আসামি জবানবন্দি দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ১২ ডিসেম্বর গভীর রাতে মহানগরীর কর্ণফুলীর বড়উঠান ইউনিয়নের শাহ মিরপুর গ্রামে এক প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে ৪ জন যুবক জানালার গ্রীল কেটে বাড়িতে প্রবেশ করে ৪ নারীকে ধর্ষণ করে। ৪ জনের মধ্যে ৩ জন প্রবাসী ৩ ভাইয়ের স্ত্রী, অন্যজন তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসা যুবতি। এ সময় তারা নগদ ৮৫ হাজার টাকা ও ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কারও নিয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রথমে পুলিশ মামলা না নিলেও পরে ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান জাবেদ এর নির্দেশে কর্ণফুলী থানা পুলিশ মামলা নেন।