এবার নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে আ: লীগের শরিকরা


২০ মে, ২০২৫ ১:৪৫ : অপরাহ্ণ

আওয়ামী লীগের পর এবার নিষিদ্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে দলটির দীর্ঘদিনের জোটসঙ্গী জাতীয় পার্টিসহ (এরশাদ) ১৪ দলীয় জোটের বাকি শরিকরা। পতিত আওয়ামী লীগের গত ১৫ বছরের শাসনামলে এই দলগুলোর কয়েকটি সরকারের মন্ত্রিসভায় অংশ নিয়েছে। জোটের রাজনীতিতেও ছিল সক্রিয়।

অভিযোগ রয়েছে জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় এরা সরাসরি সরকারকে মদত দিয়েছে। এসব কারণে আওয়ামী লীগের পর জোটের অন্য দলগুলোকে নিষিদ্ধের দাবি ক্রমশ প্রকট হচ্ছে। ইতোমধ্যে তাদের নিষিদ্ধের দাবিতে নির্বাচন কমিশনসহ সরকারকে আইনি নোটিসও পাঠানো হয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই কাগজ-কলমে না হলেও কার্যত নিষিদ্ধ ছিল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম। জন আন্দোলন ও দাবির মুখে সরকার নির্বাহী আদেশে গত ১০ মে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সব সংগঠনের কর্মকা- নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। যা বহাল থাকবে ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত।

আওয়ামী লীগের কর্মকা- নিষিদ্ধ করার প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সহযোগী দল হিসেবে ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিষয়েও আলোচনা চলছে বিভিন্ন মহলে। আওয়ামী লীগের শরিক বাকি ১৩ দলকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জুলাই ঐক্য। তবে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেনি দুই বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং জামায়াত।

আওয়ামী লীগ ছাড়া ১৪ দলীয় জোটের শরিকরা হলো- জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টি (মঞ্জু), ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতন্ত্রী পার্টি, গণ আজাদী লীগ, বাসদ (রেজাউর), সাম্যবাদী দল (দিলীপ বড়ুয়া), ন্যাপ (মোজাফফর), গণতান্ত্রিক মজদুর পার্টি, জাসদ (ইনু), শ্রমিক কৃষক সমাজবাদী দল, তরিকত ফেডারেশন ও কমিউনিস্ট কেন্দ্র।

এসএস/এমএফ

0Shares

আরো সংবাদ