চট্টগ্রামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আদায়ের সময় পুলিশের কাছে হাতেনাতে আটক হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মাহমুদ হাসানের গাড়িচালক মো. সফিউল্ল্যাহ এবং কনস্টেবল এমরান হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
রোববার (২৫ জুন) দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন আবদুল্লাহ পৃথক পৃথক আদেশে তাদের বরখাস্ত করেন।
জানা যায়, গত ১১ জুন চট্টগ্রাম নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় এক ব্যবসায়ীকে মামলা ও গ্রেফতারের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করেন গাড়িচালক মো. সফিউল্ল্যাহ এবং কনস্টেবল এমরান হোসেন। সে সময় বন্দর থানা পুলিশ তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরে খবর পেয়ে দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত থানায় হাজির হয়ে দুজনকে ছাড়িয়ে আনেন।
পরের দিন (১২ জুন) সফিউল্ল্যাহকে কুড়িগ্রাম এবং এমরান হোসেনকে ঠাকুরগাঁওয়ে বদলি করা হয়। একই দিন তাদের বিরুদ্ধে দুদকের চাকরি বিধিমালা মোতাবেক বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কমিশন বরাবর চিঠি দেন দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত।
আদেশে বলা হয়, দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপ-পরিচালকের প্রেরিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) চাকরি বিধিমালা ২০০৮ এর ৩৯ (খ) ও ৩৯ (ছ) বিধি মোতাবেক ‘অসদাচরণ’ ও ‘প্রতারণা’র অভিযোগে বিধিমালার ৪৩ (১) বিধি অনুযায়ী মো. সফিউল্লাহ ও এমরান হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।
এসএস