চট্টগ্রামের ‘লালদিয়ায়’ হবে বিশ্বমানের কনটেইনার টার্মিনাল—ধারণক্ষমতা ৮ লাখ


১২ নভেম্বর, ২০২৫ ৫:০৯ : অপরাহ্ণ

বন্দরে আমদানি-রপ্তানি সহজ করে একটি মানসম্মত আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল। বাড়ায় বন্দরের সক্ষমতা। চট্টগ্রামের লালদিয়া চরে এমন একটি কনটেইনার টার্মিনাল গড়ে তুলতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিদেশি একটি কোম্পানি। তারা বিনিয়োগ করতে চায় প্রায় ৫শ কোটি টাকা। এতে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকার পর নতুন করে আশা জাগাচ্ছে লালদিয়া চর কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পটি।

প্রায় ১১ বছর ঝুলে থাকায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব প্রকল্প (পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ- পিপিপি) থেকে বাদ দিয়ে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালের (পিসিটি) ব্যাকআপ ইয়ার্ড করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়। শেষমেশ ডেনমার্কভিত্তিক বিশ্বের বৃহত্তম শিপিং কোম্পানি মার্স্ক লাইন এ টার্মিনাল নির্মাণে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখিয়েছে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরের সবচেয়ে বড় ও আইকনিক প্রকল্প বে-টার্মিনাল। এ প্রকল্প হাতে নেওয়ার অনেক আগে থেকেই লালদিয়া মাল্টিপারপাস টার্মিনাল করার উদ্যোগ নেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালের ১১ মার্চ লালদিয়া টার্মিনাল প্রকল্পটির অনুমোদন দেয় অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

এদিকে চট্টগ্রামের লালদিয়ায় বিশ্বমানের কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

তিনি বলেন, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে ডেনমার্কের এপিএম কোম্পানি এটি নির্মাণ করবে। এটি নির্মিত হলে আট লাখ কনটেইনার রাখা যাবে। বুধবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন মাশুল আদায় এক মাসের জন্য স্থগিতকনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতার পাশাপাশি উন্নত অবকাঠামো চায় বন্দরদেশের স্বার্থের ক্ষতি করে কাউকে বন্দর অপারেশন করতে দেওয়া হবে না

বিডা চেয়ারম্যান বলেন, টার্মিনালটি নির্মাণে ছয় হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন, এটি একটি বিশ্বমানের টার্মিনাল হবে। এখানে দ্বিগুণ জাহাজ ভিড়তে পারবে। বর্তমানের চেয়ে ৪০ শতাংশ কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

এমইউ/বিএ/এমএস

0Shares

আরো সংবাদ