এবার আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি বাহরাইন, কুয়েত ও আবুধাবিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা


২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৪:০৬ : অপরাহ্ণ

মধ্যপ্রাচ্যেজুড়ে যুদ্ধের উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানের সামরিক সহ বিভিন্ন স্থাপনায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আঘাত হানার পর পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠছে।

এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার ভিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ঘাঁটিতে ঘামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, বাহরাইন, কুয়েত, কাতার ও ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে তারা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এছাড়া ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অপারেশন ‘ফতেহ খাইবার’ নামে ক্ষেপণাস্ত্র অভিযান শুরু হয়েছে বলেও জানা গেছে।

বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তরকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়। জুফায়ার এলাকায় ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে, যেখানে একটি বড় মার্কিন নৌঘাঁটি অবস্থিত। কুয়েত সাময়িকভাবে তাদের আকাশসীমা সব ধরনের উড়োজাহাজের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতও আংশিকভাবে আকাশসীমা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আবুধাবিতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং কুয়েতেও সম্ভাব্য হামলার সতর্কতায় সাইরেন বাজানো হয়। অপারেশন ‘ফতেহ খাইবার’ নামে ইরানের এই অভিযানে মধ্যপ্রাচ্যের বি

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি তেহরানের। দেশটির এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানায়, ‘বাশারাত আল-ফাতহ’ বা ‘বিজয়ের সুসংবাদ’ নামের এই অভিযানে কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিসহ গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তত একটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। একই সঙ্গে বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে অবস্থান এবং সামরিক এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত কোনো হতাহতের বা ক্ষয়ক্ষতির আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রও এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

এসএস/এমএফ

0Shares

আরো সংবাদ