বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও সরকারের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ১৬ জুলাই ২০০৭ তারিখে শেখ হাসিনাকে বিনা পরোয়ানায় সেনা সমর্থিত সরকার গ্রেফতার করেছিল। তখন ক্ষমতায় ছিল বিএনপি। আর বিএনপি ছিল দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন। বিএনপি’র অন্যায়ের প্রতিবাদ করার কারণেই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
সেদিন মূলতঃ শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়নি, গ্রেফতার হয়েছিল এদেশের গণতন্ত্র। তথ্যমন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ আয়োজিত “স্বৈর শৃঙ্খল ভেঙ্গে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই হোক দৃঢ় প্রত্যয়” প্রতিপাদ্যে গণতন্ত্র বন্দি দিবস এর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন।
তথ্য মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব গ্রহন করেন তখন বাংলাদেশ নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়। তাঁর ৩৮ বছরের রাজনীতি জীবনে মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্যই নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। গ্রেনেড হামলার শিকার হয়েও তিনি উন্নয়নের কাফেলা নিয়ে সামনে অগ্রসর হযেছেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে দেশ আলোর মুখ দেখতে পায়।
খাদ্য ঘাটতির দেশ এখন খাদ্যে উদ্বৃত্তের দেশে পরিনত হয়েছে শেখ হাসিনার যাদুকরী নেতৃতে¦র জন্য বলে মন্ত্রী মন্তব্য করেন। জনাব হাছান মাহমুদ বলেন, দেশ বদলে গেছে। ১৬ কোটি মানুষের দেশে ১৫ কোটি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন। বর্ণমালা না চিনলেও হাতে স্মার্ট ফোন নিয়ে চলাফেরা করে। এখনকার প্রত্যেক গ্রামই শহর, শহরের সুবিধা গ্রামের সাধারন মানুষের হাতের নাগালে পৌছে দিতে সক্ষম হয়েছে সরকার।

মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন: রাজনীতি করতে হলে নীতি ও নৈতিকতা থাকতে হবে। ভোগের নয়, ত্যাগের অপর নাম রাজনৗতি। রাজনীতি করতে হবে গণতন্ত্রের আদর্শ নিয়ে জনগনের জন্য, লুটপাটের জন্য নয়। তিনি আরো বলেন, গণমূখী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। এদলকে ধংস করার জন্য হাজারবার চেষ্টা করেছিল ওয়ান ইলেভেন সরকার। মেয়র বলেন, যে কোন আন্দোলন সংগ্রামে দেশের আপামর জনতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থাকবে। শেখ হাসিনার কর্মের সুফল ধারাবাহিকভাবে জনগন ভোগ করছেন বলেই তৃতীয়বারের মত সরকার গঠন করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী, নঈমউদ্দিন চৌধুরী, এ্যাডভোকেট শুনীল কুমার সরকার, ইমরান হোসেন বাবুল, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, মহানগর আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মো. সফর আলী, মাহামুদ ইসাহাক, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধরসহ স্থানীয় মহানগর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।