নানা অনিয়মের অভিযোগে হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধের হিড়িক


নিউজ ডেস্ক  ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১০:৪৪ : পূর্বাহ্ণ

নানা অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রামে একাধিক হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন। এতে নানা অনিয়মের কারণে চারটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে ও চারটি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর জন্য বলা হয়েছে।

এদিকে রাজধানীসহ সারা দেশে হাসপাতাল, ক্লিনিক-ডায়গনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকে অভিযান চালিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ অভিযানে ২২টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডিপ্লোমাধারী এমটি না থাকা, অপারেশন থিয়েটারের নোংরা পরিবেশ ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়োগপত্র দেখাতে না পারার কারণে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

জামালখানের সেনসিভে স্বাস্থ্য বিভাগের সার্টিফিকেট দৃশ্যমান স্থানে না রাখা, ডিপ্লোমা ছাড়া টেকনিশিয়ান দিয়ে ব্ল্যাড সংগ্রহ করা, ইনোভা হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজ না থাকা ও ল্যাব এক্সপার্টের নানা অনিয়মের কারণে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া আটটি হাসপাতালকে জরিমানা এবং আরও আটটি হাসপাতালকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি হাসপাতাল ও ক্লিনিক বন্ধ হয়েছে চট্টগ্রাম ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমুহ) ডা. মোহাম্মদ মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার সারাদেশের ৩৭টি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অভিযান চালানো হয়। আর বুধবার অভিযান চলে ১০টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহে।

ডা. মোহাম্মদ মঈনুল আহসান বলেন, রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর ঘটনার পর দেশের বিভিন্ন অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে অভিযানের ঘোষণা দেয় স্বাস্থ্য বিভাগ। মঙ্গলবার থেকে অভিযান শুরু হয়।

তিনি বলেন, বন্ধ করে দেয়া স্বাস্থকেন্দ্রগুলোর কোনোটির বৈধ কাগজপত্র ছিল না, আবার কাগজপত্র থাকলেও বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া গেছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে, কিছু হাসপাতালের পরিবেশ ভালো পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বুধবার ঢাকায় ১০টি হাসপাতাল পরিদর্শন করে তিনটি হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের কেয়ার হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শ্যামলীর ঢাকা ট্রমা সেন্টার, স্পেশালাইজড হাসপাতাল এবং উত্তরায় হাইকেয়ার কার্ডিয়াক ও নিউরো হাসপাতাল বন্ধ করা হয়েছে।

এসএস

Print Friendly, PDF & Email

আরো সংবাদ