মেয়ে বলছেন ভালবেসে বিয়ে করেছি, বাবা বলছেন অপহরণ!


সকালের-সময় রিপোর্ট ২২ মার্চ, ২০২০ ৮:৫৫ : অপরাহ্ণ

বাঁশখালীতে মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণ করে বিয়ে করার অপরাধে এক যুবককে ঢাকার সাভার থানাধীন রাজ-আসন এলাকার বস্তি হতে ১৯ মার্চ রাতে আটক করেছে বাঁশখালী থানা পুলিশ। আটক যুবকের নাম হামিদ হোছাইন (২৮), সে শেখেরখীল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের রশিদ আহমদ মাঝির ছেলে। এদিকে মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে বাবার এমন দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে মেয়ে বলছে ভিন্ন কথা। মেয়ের দাবি তাকে অপহরণ করা হয়নি।

মামলা ও বাঁশখালী থানা সূত্রে জানা যায়, গত বছর ২২ সেপ্টেম্বর পুঁইছড়ির আম্বিয়া খাতুন ক্যাডেট মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ইশরাত জাহান সাদিয়া (১৪) বাড়ি যাবার পথে অপহরণ হয়। তার বাবা নাপোড়া এলাকার মীরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ ছৈয়দ নুর বাদী হয়ে হামিদ হোসাইন ও তার বড় ভাই হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে বাঁশখালী থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করলে হেলাল উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়।

তবে কিছুদিন পর জামিনে বেরিয়ে আসে। এদিকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় দীর্ঘদিন পর ঢাকার এক ভাড়া বাসা থেকে অপহৃত মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার ও মামলার আসামি হামিদ হোছাইনকে গ্রেপ্তার করে বাঁশখালী পুলিশ।

পুলিশ জানায়, অপহৃত ওই মাদ্রাসা ছাত্রী ইশরাত জাহান সাদিয়া বর্তমানে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। অপরদিকে ইশরাত জাহান সাদিয়া ও তার স্বামী হামিদের দাবি- অপহরণ নয় পরস্পরের সম্মতিতে তারা ৬ মাস পূর্বে পালিয়ে বিয়ে করেছেন এবং সংসার করছিলেন।

তবে মামলার বাদি মাদ্রাসা ছাত্রীর বাবা মুহাম্মদ ছৈয়দ নুর বলেন, আমার নাবালিকা মেয়েকে ফুসলিয়ে অপহরণ করা হয়েছে। তাদের চাপের মুখে মেয়েটি বর্তমানে এসব কথা বলছে -আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাঁশখালী থানার এস আই নাজমুল হাসান বলেন, অপহৃত হওয়ার দীর্ঘ ৬ মাস পর তাদেরকে মোবাইল ট্রাকিং করে উদ্ধার করা হয়েছে। এখন তাদেরকে আদালতে হাজির করা হবে এবং আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সকালের-সময় ডট কম

Print Friendly, PDF & Email

আরো সংবাদ