মেয়াদোত্তীর্ণ ৭৩ কন্টেইনার পণ্য ধ্বংস করবে চট্টগ্রাম কাস্টমস


  • নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ নভেম্বর, ২০২২ ১১:৪২ : অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানির পর পড়ে থাকা ৭৩টি আদা, সুপারি, খেঁজুর, বীজ ও মাছ জাতীয় পণ্যের কন্টেইনার ধ্বংস করবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এসব পণ্য নিলাম অযোগ্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ। প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ কন্টেইনার পণ্য ধ্বংসের পরিকল্পনা রয়েছে কাস্টমসের।

রোববার চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার মুহাম্মদ মাহফুজ আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সোমবার থেকে প্রতিদিন হালিশহর আনন্দবাজারে ১৫-২০টি কন্টেইনারের পণ্য ধ্বংস করা হবে। পর্যায়ক্রমে তালিকাভুক্ত সব কন্টেইনার পরিবেশ সম্মত উপায়ে ধ্বংসের পরিকল্পনা রয়েছে কাস্টমসের।

কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জারি করা স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী গঠিত চট্টগ্রাম বন্দরের মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস কমিটির ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭৩ কন্টেইনার পণ্য ধ্বংস করা হবে। ১৫ লটের এসব কন্টেইনারে বন্দরের ভেতরে রেফার্ডসহ ড্রাই কন্টেইনার আছে ১৫টি।

বিভিন্ন অফডকে ড্রাই পণ্যের কন্টেইনার আছে ৬১টি। এসব কন্টেইনারে ধ্বংসযোগ্য ও বায়োডিগ্রেডেবল (পচনশীল) আদা, সুপারি, খেজুর, জুস, ক্যারোলা বীজ, মাছের খাদ্য, মাছ ইত্যাদি রয়েছে।

প্রসঙ্গত, আমদানিকারকরা অনেক সময় বিদেশ থেকে আনা বিভিন্ন পণ্য ডেলিভারি নেন না। এছাড়া শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ব্যবসায়ীরা আমদানির চেষ্টা করলে শারীরিক পরীক্ষার সময় কর্তৃপক্ষ কিছু পণ্য আটক করে।

নিয়ম অনুযায়ী, আমদানিকারকদের ৩০ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি নিতে নোটিশ দেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের আমদানির টাকা না পেলে কাস্টমস হাউস সেসব পণ্য নিলাম করে। যথাযথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও আমদানিকৃত পণ্য বন্দরে নষ্ট হলে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সেগুলো ধ্বংস করে ফেলে।

এসএস

Print Friendly, PDF & Email

আরো সংবাদ