পাহাড়ে অবৈধ বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু


নিজস্ব প্রতিবেদক ১৯ জুন, ২০২২ ৪:৫৭ : অপরাহ্ণ

পাহাড়ে অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস কারীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। রোববার বেলা ১১ টা থেকে পূর্ব ফিরোজশাহ ১ নম্বর ঝিল এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসরতদের উচ্ছেদে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে সহযোগিতা করছে র‌্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করছেন কাট্টলী সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) উমর ফারুক, বাকলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার মাসুদ রানা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল আমিন সরকার।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের সিনিয়র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আজ বেলা ১১ টা থেকে জেলা প্রশাসনের ৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসরতদের উচ্ছেদে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আমরা এরই মধ্যে আমরা বেশকিছু ঘর উচ্ছেদ করেছি। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আকবর শাহ থানার এক নম্বর ঝিলের বরিশাল ঘোনা এলাকায় অতি ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর ফারুক। তিনি বলেন, এ জায়গাটা রেলওয়ের জায়গা। পাহাড়গুলো রেলওয়ের পাহাড়। এখানে থাকা স্থাপনা উচ্ছেদ করে আমরা রেলওয়েকে বুঝিয়ে দিই।

এরপরও দেখা যায়, কিছু লোক আবারও অবস্থান করতে চলে আসে। আমরা এখন কঠোর অবস্থানে রয়েছি। এর পরবর্তীতে যদি দেখা যায় যে, কেউ এখানে অবস্থান করার জন্য বা পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ঘর-বাড়ি তৈরি করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলাসহ কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা উচ্ছেদে নিয়মিত কাজ করা হচ্ছে। তাদেরকে সরে যাওয়ার জন্য আগে থেকেই বলা হয়েছে। এরপরও তারা এখান থেকে তাদের মালামাল সরিয়ে নেয়নি। তারা তাদের নিজেদের অবস্থান দৃঢ় রাখতেই সরে যেতে চায় না।

তিনি আরও বলেন, এখানে যতগুলো অবৈধ স্থাপনা রয়েছে সবগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। তারা নিজ দায়িত্বে সরে না যাওয়াতেই আমাদের বাধ্য হয়েই তাদের স্থাপনাগুলো ভাঙতে হচ্ছে। উল্লেখ, শুক্রবার (১৭ জুন) দিবাগত রাতে চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানা এলাকায় পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় ৪ নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছেন।

সকালের-সময়/এমএফ

Print Friendly, PDF & Email

আরো সংবাদ