চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে হবে হোটেল শপিংমল-গেষ্ট হাউজ


সকালের-সময় 

১২ জানুয়ারি, ২০২২ ৬:৫৬ : অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন রোড সংলগ্ন জায়গায় ডিজাইন বিল্ড ফাইন্যান্স অপারেট অ্যান্ড ট্রান্সফার পদ্ধতিতে প্রায় ১৫ তলাবিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক ভবন নির্মাণে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে এপিক প্রপার্টিজ। মঙ্গলবার  ঢাকায় রেলভবনে এনিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

জানা যায়, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) এর ভিত্তিতে এখানে হোটেল, শপিংমল, অফিস, সিনেপ্লেক্স, কনভেনশন সেন্টার, পারিবারিক বিনোদনকেন্দ্র ও অ্যাপার্টমেন্ট থাকবে। এটির সম্ভাব্য ব্যয় ৪৫ কোটি টাকা। নির্মাণকালসহ ৪০ বছর পর স্থাপনাটি রেলওয়ের শতভাগ মালিকানায় পরিচালিত হবে। প্রকল্পের সব ব্যয় বেসরকারি অংশীদার বহন করবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ডা. মো. হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। এছাড়া পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী সুলতানা আফরোজ ও রেলওয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদারসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে পিপিপি পদ্ধতিতে রেলওয়ে এই জায়গায় শপিংমল, হোটেল, অফিস, সিনেমা-হল, কনভেনশন সেন্টার ও এপার্টমেন্ট নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে। দুই খাম (টেকনিক্যাল ও ফিনান্সিয়াল) পদ্ধতিতে আহ্বান করা সেই দরপত্রে চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয় এপিক প্রপার্টিজ। ২০১৯ সালের আগস্টে কার্যাদেশ দেয়া হলেও গতকাল সোমবার চুক্তি শেষ হয়।

অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বলেন, একটি দেশের উন্নয়নের স্বার্থে রেলওয়ের উন্নয়ন প্রয়োজন। যে দেশ যত উন্নত, তার রেলযোগাযোগ ব্যবস্থা তত উন্নত। উন্নত দেশের স্টেশনগুলোর পাশে শপিংমল করা হয়।

আমাদের দেশের রেলব্যবস্থাকেও একইভাবে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমাদের অনেক জমি আছে স্টেশনের পাশে। শপিংমল করে সেখান থেকে অর্জিত আয় দিয়ে আমরা একসময় রেলকে স্বয়ংসম্পূর্ণ অবস্থা ও লাভজনক করতে পারবো বলে আমরা বিশ্বাস করি।

তিনি আরো বলেন—মিটার ও ব্রডগেজ লাইনকে একমুখী ব্যবস্থা করে সারাদেশকে ব্রডগেজে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সিঙ্গেল লাইনকে ডাবল লাইনে রূপান্তর করা হবে।

বর্তমানে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প, যমুনা নদীর ওপর দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু রেলসেতু নির্মাণ, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইন পর্যায়ক্রমে ডুয়েল গেজে রূপান্তর করা হবে। আমাদের ১২টি প্রকল্পের মধ্যে ইতোমধ্যে দুটির চুক্তি সই হলো।

এসএস

Print Friendly, PDF & Email

আরো সংবাদ