কারাগারে নারীর সঙ্গ নিলেন আসামী, ডেপুটি জেলারসহ প্রত্যাহার ৩


সকালের-সময় রিপোর্ট  ২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১:১৫ : পূর্বাহ্ণ

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দির সঙ্গে নারীর একান্তে সময় কাটাতে সহায়তা করার অভিযোগে তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ শুক্রবার কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোমিনুর রহমান মামুন জানান, ওই ঘটনায় ডেপুটি জেলার মোহাম্মদ সাকলাইন, সার্জেন্ট আব্দুল বারী ও সহকারী প্রধান কারারক্ষী খলিলুর রহমানকে প্রত্যাহার করে কারা সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট যে কোনো উর্ধ্বতন কর্মকর্তা/কর্মকর্তাদেরও প্রয়োজনে দ্রুতই প্রত্যাহার করা হতে পারে। সম্প্রতি গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দি হলমার্কের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) তুষার আহমদ বিধি লঙ্ঘন করে এক নারীর সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। এতে কারাগারেরই দুই কর্মকর্তা সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ৬ জানুয়ারি কারাগারের ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের (সিসিটিভি) ক্যামেরায় এ চিত্র ধরা পড়ে।

সাক্ষাৎ করা ওই নারী হলমার্কের জিএম তুষার আহমদের স্ত্রী বলে জানিয়েছে কারা সূত্র। এদিকে ওই ঘটনার তদন্তে জেলা প্রশাসন গত ১২ জানুয়ারি তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। আর ২১ জানুয়ারি তিন সদস্যের আরেকটি তদন্ত কমিটি করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

৬ জানুয়ারির সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কারাগারের ভেতরে কর্মকর্তাদের অফিস এলাকায় কালো রঙের জামা পরে ঘোরাফেরা করছেন তুষার আহমেদ। কিছু সময় পর বাইরে থেকে বেগুনি রঙের জামা পরা এক নারী সেখানে আসেন। এ সময় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার রত্না রায় ও ডেপুটি জেলার গোলাম সাকলায়েন সেখানে ছিলেন। বেলা ১২টা ৫৫ মিনিটে দুই যুবকের সঙ্গে ওই নারী কারাগারের কর্মকর্তাদের কক্ষের দিকে যান।

ফুটেজে আরো দেখা যায়, ওই নারী কক্ষে ঢোকার পর সাকলায়েন বেরিয়ে যান। আনুমানিক ১০ মিনিট পর তুষারকে সেখানে নিয়ে যান সাকলায়েন। এর প্রায় ১০ মিনিট পর রত্না তার কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। দুই মিনিট পর রত্নার কক্ষের দিকে যান তুষার। এরও দুই মিনিট পর সেখান থেকে বেরিয়ে ওই নারীকে নিয়ে আবার রত্নার কক্ষে যান তুষার।

যাওয়ার সময় তাদের হাসি-তামাশা করতে দেখা যায়। এর দুই মিনিট পর তুষার ও ওই নারী সাকলায়েনের কক্ষে ফেরেন। সেখান থেকে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা পর তারা বের হন।

এসএস

Print Friendly, PDF & Email

আরো সংবাদ