ঈদ সন্নিকটে, বিক্রি না বাড়ায় চিন্তিত পশু ব্যবসায়ীরা


সকালের-সময় রিপোর্ট  ২৮ জুলাই, ২০২০ ১০:১৮ : অপরাহ্ণ

ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের কোরবানির পশু নিয়ে চট্টগ্রামের অস্থায়ী হাটগুলোতে অপেক্ষা করছেন বিক্রেতারা। তবে ক্রেতার দেখা মিলছে খুব কম। মাঝেমধ্যে দু-একজন আসছেন, দরদাম করে তারাও চলে যাচ্ছেন। স্বল্প পরিসরে কিছু পশু বিক্রিও হচ্ছে। তবে এতে খুশি নন বিক্রেতা ও ইজারাদাররা। করোনা পরিস্থিতির কারণে বিক্রির হার যদি না বাড়ে তাহলে মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।

জানা যায়, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী গতকাল থেকে কোরবানির পশুর অস্থায়ী হাটগুলো শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আরও সপ্তাহখানেক আগে থেকেই হাটে গরু আসতে শুরু করে। দুই-তিন দিন ধরে কিছু কিছু পশু বিক্রিও হচ্ছে। তবে বিপুলসংখ্যক পশুর তুলনায় বিক্রির পরিমাণ খুবই কম। ঈদ সন্নিকটে থাকার পরও বিক্রি না বাড়ায় চিন্তিত হয়ে পড়েছেন বিক্রেতা ও ইজারাদাররা।

তবে ভিন্ন কথাও বলছেন পেশাদার ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ। তাদের মতে, অন্যান্য বছরের তুলনায় চট্টগ্রামের হাটগুলোতে এবার অর্ধেক গরু উঠবে। আর ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ঈদের আগ মুহূর্তে করোনাভীতি জয় করে কোরবানি দেবেন। এ কারণে বৃহস্পতি বা শুক্রবারের হাটে পশুর দাম কয়েকগুণ বেড়ে যেতে পারে। এ সময় পশু সংকটেরও আশঙ্কা রয়েছে বলে ধারণা তাদের।

মঙ্গলবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা গেছে, বাজার সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গায় এবং অলিগলি গরু-ছাগলে ভরে উঠেছে। হাটের বিক্রেতা ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বল্প পরিসরে বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে অন্যান্য বছর এমন সময় যে হারে গরু বিক্রি হতো, এবার সেভাবে বিক্রি হচ্ছে না।

সরেজমিন বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখা যায়, বিক্রেতা, ইজারাদারের সদস্য এবং অনেক ক্রেতার মুখেও মাস্ক নেই। আবার অনেকে মাস্ক ব্যবহার করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাটে আসছেন। প্রচন্ড গরমের কারণে সারাদিন মুখে মাস্ক রাখতে পারছেন না পশু ব্যবসায়ী এবং শ্রমিকরা। তবে পুলিশের টহল, সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আনাগোনা থাকায় অনেকে ভয়েও মুখে মাস্ক ঠিক রাখার চেষ্টা করছেন।

সকালের-সময়/এমএফ

Print Friendly, PDF & Email

আরো সংবাদ