ইলেকট্রনিকস পণ্য ঘোষণায় আনা সাড়ে ৮ মেট্রিকটন গুঁড়োদুধ জব্দ


সকালের-সময় রিপোর্ট  ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১২:৫০ : পূর্বাহ্ণ

দুবাই থেকে ইলেকট্রনিকস পণ্য ঘোষণায় গুঁড়োদুধ আনার পর খালাস পর্যায়ে ধরা খেলে চট্টগ্রাম বন্দরে। দুইটি কাভার্ডভ্যানে বোঝাই করা সাড়ে ৮ মেট্রিকটন দুধ আটক করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার নিউমার্কেট থানার ১২৪/এ, ড. খুদরত-ই-খুদা সড়কের (এলিফ্যান্ট রোড) ঠিকানার আমদানিকারক প্রাইম ট্রেডিং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইলেকট্রনিক পণ্য ঘোষণায় ২ মেট্রিক টন পণ্য আমদানি করেন। নিয়ম অনুযায়ী পণ্যগুলো কনটেইনার থেকে নামিয়ে বন্দরের ১২ নম্বর শেডে সংরক্ষণ করা হয়।

পণ্য খালাসের লক্ষ্যে আমদানিকারকের পক্ষে গত ১০ সেপ্টেম্বর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট চট্টগ্রামের ১১০২ ডিটি রোডের রাজ বাণিজ্য বিতানের কুলগাঁও ট্রেডার্স লিমিটেড কাস্টম হাউসে বিল অব এন্ট্রি (সি-১২৪৯০০৮) দাখিল করেন। কাস্টমস কর্মকর্তা পণ্য পরীক্ষা করতে গেলে পণ্য খালাসে নিয়োজিত আমদানিকারকের সিঅ্যান্ডএফ প্রতিনিধি শেডে সংরক্ষিত অপর একটি ইলেকট্রনিক পণ্য পরীক্ষা করান বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

পরবর্তীতে ইলেকট্রনিক পণ্যের বিপরীতে আড়াই লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ করে ২টি কাভার্ডভ্যানে পণ্য বোঝাই করে খালাসের অপচেষ্টা করলে কাস্টম হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) টিম গাড়িগুলো আটক করে।
এরপর এআইআর কর্তৃক পণ্য পরীক্ষায় ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিবর্তে প্রায় সাড়ে ৮ মেট্রিকটন গুঁড়োদুধ পাওয়া যায়।

যার আনুমানিক শুল্ক-কর ২৮ লাখ টাকা।
এআইআর শাখার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার রেজাউল করিম জানান, গুঁড়োদুধের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি অনুযায়ী মোড়কের গায়ে ‘মায়ের দুধের বিকল্প নেই’ উল্লেখ থাকতে হয় এবং বিএসটিআই’র মাধ্যমে খাবার উপযোগী কিনা তা পরীক্ষা করাতে হবে।

এক্ষেত্রে দুটি শর্তই পূরণ করা হয়নি। শুল্ক ফাঁকির বিষয়ে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তা ছাড়া জাল-জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে কিনা এবং কারা এ চালান আমদানি ও খালাসের অপচেষ্টার সঙ্গে জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এসএস

Print Friendly, PDF & Email

আরো সংবাদ