প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত নিয়েই সিআরবিতে হাসপাতাল অনুমোদন হবে!


৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ৩:২৬ : অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত,সিআরবিতে হাসপাতাল

নিজস্ব প্রতিনিধি : রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, চট্টগ্রামের সিআরবিতে হাসপাতালের নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) চুক্তির আওতায়। যখনই মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু হয় তখনই পাল্টাপাল্টি অভিযোগগুলো আমাদের কাছে এসেছে। এসব অভিযোগ যাচাই বাছাই করে দেখা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের ফুসফুস খ্যাত সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছেন বলে মন্তব্য করেন রেলমন্ত্রী।

তিনি বলেছেন, অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। পক্ষ-বিপক্ষে যাই হোক না কেনো, আলোচনা চলছে। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত নিয়েই অনুমোদন দেওয়া হবে।

আজ শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিআরবি পুরাতন রেলস্টেশনের পাশে প্রস্তাবিত কল্যাণ ট্রাস্টের জায়গা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিদ্ধান্তক্রমে যেহেতু পিপিপিতে হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়, সেহেতু রেলওয়ে সিদ্ধান্ত দেয়ার কেউ না। আলাপ-আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত দিবেন সেটাই হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রামের মন্ত্রী এমপি ও নেতারা যদি হাসপাতাল না চান তাহলে তো প্রধানমন্ত্রী চাইবেন না। আমরা রেল মন্ত্রণালয়ও সেটার বিরুদ্ধে যেতে পারব না।’

রেল নিয়ে বিগত সরেকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, সরকার নিজে ব্যবসা করে না। সরকারের নীতি হলো যারা ব্যবসা করছেন তাদের সহায়তা করা। যেটা আমাদের উন্নয়নের কাজে আসলো না তাদের আটকে রেখে লাভ নেই। অনেকে রেলেও জায়গা দখল করে বসে আছে।

আগে রেলের প্রতি এত দৃষ্টি ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে সড়কপত্র, রেলপত্র, আকাশপথ সমন্বিত করে রেযাগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলছেন। দেশের উন্নয়ন সম্ভাব্য সবকিছু আমাদের ব্যবহার করতে হবে।

এর আগের সরকারগুলোর পলিসির কারণে রেলপত্র পিছিয়ে গেছে। উন্নয়নের যা ধারায় রেলপত্র থাকার কথা ছিল সেভাবে থাকেনি। ২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী আলাদা মন্ত্রণালয় করে নতুন করে বিনিয়োগ করে রেলওয়েকে যুগোপযোগী করেছে।

এর আগে মন্ত্রী পুরাতন রেলওয়ে স্টেশনের পাশে রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের প্রস্তাবিত মার্কেটের জায়গা ঘুরে দেখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেল সচিব হুমায়ুন কবীর, পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর হোসেন।

এস এস/

0Shares

আরো সংবাদ