সুবর্ণচরে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত বুলু ও জসিম চট্টগ্রাম থেকে আটক


৪ জানুয়ারি, ২০১৯ ৪:৫৬ : অপরাহ্ণ

সকালেরসময় রিপোর্ট:: নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ৪ সন্তানের মাকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকারী হাসান আলী বুলুসহ ২ জনকে চট্টগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার (৪ জানুয়ারী) ভোরে নগরীর মাদারবাড়ি ও জেলার ফটিকছড়ি থানার নাজির হাট থেকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হল-গণধর্ষণের মূল পরিকল্পনাকারী হাসান আলী বুলু (৬০) ও জসিম উদ্দিন (৩০)। চরজব্বার থানার ওসি নিজাম উদ্দিন সকালেরসময়কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর ভোটের রাতে স্বামী-সন্তানকে বেঁধে পারুল বেগম নামে গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় সন্দেহভাজন আরও দুজনকে আটক করা হয়েছে, যাদের মধ্যে একজনকে ওই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী। আটককৃত দুজনের মধ্যে হাসান আলী বুলু (৬০) সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিনের ‘প্রধান সহযোগী’ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। আর জসিম উদ্দিন (৩০) সুবর্ণচরের চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্যম বাগ্যা গ্রামের মোতাহের হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কলা বিক্রেতা। পুলিশ জানায়, মামলার এজাহারে বুলু বা জসিমের নাম ছিল না। তবে পুলিশ তদন্তে নেমে ঘটনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা পায়।

দুজনের মধ্যে জসিমকে আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে জসিম উদ্দিনকে আটক করে চরজব্বার থানা পুলিশের একটি দল। পরে চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানার পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় হাসান আলী বুলুকে।
উল্লেখ্য গত ৩০ ডিসেম্বর ভোটের রাতে সুবর্ণচরের মধ্যবাগ্যা গ্রামে ওই ধর্ষণের ঘটনার পর এ পর্যন্ত মোট সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজন সাবেক ইউপি সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা, চারজন ইটভাটা শ্রমিক রয়েছে

ধর্ষণের শিকার ওই নারীর অভিযোগ, ভোটের দিন নৌকার সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়েছিল। এরপর রাতে সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিনের ‘সাঙ্গপাঙ্গরা’ বাড়িতে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। চরজব্বার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইব্রাহিম খলিল বলেন, হাসান আলী বুলু ওই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী। ভোটকেন্দ্রে তার সঙ্গেই ওই নারীর ঝামেলা হয়েছিল। পরে সে দশ হাজার টাকায় কয়েকজন ইটভাটা শ্রমিককে ভাড়া করে।

0Shares

আরো সংবাদ