সকালেরসময় চট্টগ্রাম ডেস্ক:: চট্টগ্রাম কর্ণফুলী থানাধীন বৈরাগ ইউনিয়নের দক্ষিন বন্দর এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দক্ষিন বন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী মর্তুজা আক্তার (১৬) নামের এক মেধাবী ছাত্রী। গত সোমবার (১অক্টোবর) সন্ধ্যায় এঘটনা ঘটে। হামলার প্রতিবাদে এবং সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবীতে স্কুলের সামনে মানববন্ধন করেন স্কুল শিক্ষার্থীরা।
এই বিষয়ে আহত শিক্ষার্থী মর্তুজার মা জাহানারা বেগম বলেন, খাদেম নাছির প্রকাশ ডাকাত নাছির (৫৮) পিতা মৃত আমীর হামজা এবং নাছিরের দুইছেলে মোঃ আফছার (২৮) ও মোঃ হানিফ (২২), আমার স্বামীর পতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক ভোগ দখলের চেষ্টা করলে আমি বাধা দেওয়ায় তারা আমার সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হয়। উল্লেখ্য যে বিগত দশ বছর আগে দক্ষিণ বন্দর গ্রামের বাসিন্দা মৃত মোহাব্বত আলীর পূত্র মো.আলী ইসলাম আলীকে কান্তির হাটে প্রকাশ্য গুলি করে চোঁখ উপরে ফেললে কিছুদিন পর সে মারা যায়, এখনো প্রর্যন্ত উক্ত অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। এবং এলাকায় ভূমি দস্যু হিসেবেও কৃতি রয়েছে তার।
ঝগড়ার এক পর্যায়ে তারা আমাকে দৌড়ে মারতে আসলে আমার দুই মেয়ে মর্জিনা (২০) ও মর্তুজা(১৬) তাদের বাধা দিলে আমরা মা-মেয়েকে দা,ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি খোপাতে থাকে তাতে আমার মেয়ে মর্তুজার হাতে পিঠে কাঁটা জখম হয় এতে আমাদের সুর-চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে আমাদের আনোয়ারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় আমি গত সোমবার (০১অক্টোবর) রাতে বন্দর পুলিশ ফাঁড়িতে মামলা করতে গেলে ১২৪৫ স্মারকে একটা অভিযোগ নেয়।
এ প্রসঙ্গে কর্ণফুলী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর মাহমুদ’র কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবিষয়ে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছি । মানববন্ধনে মর্তুজার সহপাঠী নিলু আক্তার
বলেন, আমার বান্ধবীদের উপর যারা হামলা করেছেন তাদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই। মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে স্থানীয় ১নং বৈরাগ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ মোহাম্মদ সোলাইমান বলেছেন, এই ধরনের ঘটনায় কোন সচেতন মানুষ চুপ থাকতে পারে না। দোষী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান তিনি। বন্দর এলাকার যুবলীগ নেতা এস এম মুজিবুর রহমান, প্রান্ত দত্ত সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।