বিষয় :

পুলিশ জানোয়ার ও আ: লীগের গুন্ডা বাহিনী আমাদের ওপর হামলা করছে: ড. কামাল


২৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১২:৪৯ : পূর্বাহ্ণ

সকালেরসময় রিপোর্ট:: নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ঐকফন্টের বৈঠক শুরুর পর প্রায় দেড় এক ঘন্টা তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বাভাবিক আলোচনা হয়। এসময় বিএনপির মহাসচিব ছাড়াও ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বক্তব্য দেন। কিন্তু গোল বাধে ড. কামাল হোসেনের বক্তব্যের সময়। তিনি এসময় উত্তেজিত হয়ে পুলিশদের গালাগালি করতে থাকেন। এঘটনা ঘটে মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে পুননির্ধারিত বৈঠকে। পরে বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে বৈঠক বয়কট করে চলে যান ঐক্য ফ্রন্টের নেতারা। এমনকি ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথাও বলেননি। পরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রেসবিফ্রিং করেন।

এসময় সিইসির নেতৃত্বে কমিশনের পক্ষ থেকে কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম ও নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিতি ছিলেন। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন সিইসির উদ্দেশ্যে বলেন, সিইসি বর্তমানে প্রধান বিচারপতির চেয়েও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে পারেন। আপনি ইচ্ছা করলে জানোয়ার-লাঠিয়ান পুলিশ বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।

আপনার এই লাঠিয়াল পুলিশ বাহিনী আমাদের মিটিং-মিছিল কিছুই করতে দিচ্ছে না। এমনকি বেলা দুইটার পর মাইক ব্যবহারের জন্য আমাদের নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ তার জোটেরা নিয়ম-কানুন না মেনে পুলিশের সহায়তায় প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। ড. কামাল হোসেন আরও বলেন, পুলিশ ও আওয়ামী লীগের গুন্ডা বাহিনী আমাদের ওপর হামলা করছে। আমাদের প্রার্থীদের জীবনের দাম না থাকলেও কর্মীদের জীবনের দাম রয়েছে। তাদের তো সেভ করতে হবে।

এসময় সিইসিও উত্তেজিত হয়ে পড়েন। ড. কামাল হোসেনকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি এমন কী হয়েছেন যে, পুলিশকে লাঠিয়াল-জানোয়ার বলেছেন। নিজেকে কী মনে করেন? তখন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান সিইসিকে বলেন, নির্বাচনের কোনো পরিবেশ যদি সৃষ্টি করতে না পারেন, তাহলে বলে দেন, আমরা আজকেই প্রেসক্লাবে গিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বর্জনের বিষয়ে ঘোষণা দেব। এসময় ঐক্যজোটের নেতারা সবাই বক্তব্য দেয়া শুরু করেন। এক পর্যায়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম তাদের নেতাদের সামলানোর চেষ্টা করেন।

0Shares

আরো সংবাদ