মোঃ রবিউল হোসেন সম্রাট:: প্রতিদিন সকালে যখন পত্রিকা হাতে পায় তখনই দেখি কোনো না কোনো দুর্ঘটনায় পথচারী বা গাড়ির আরোহী নিহত হয়। অনেকে আবার খুব বেশি গুরুতর আহত হয়।বেশিরভাগ দুর্ঘটনার মূল কারণ হচ্ছে অসচেতনতা। আর যতই দুর্ঘটনা হয় তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা হয় মোটরসাইকেল আরোহীর। অথচ মোটরসাইকেল আরোহীরা গাড়ি চালানোর সময় কখনোই হেলমেট ব্যবহার করতো না। অতীতে দেখা গিয়েছে যত দুর্ঘটনা ঘটেছে মোটর সাইকেল চালানোর সময় তাঁদের কারও মাথায় হেলমেট ছিল না।
গাড়ি চালানোর সময় একটা হেলমেট মাথায় দিয়ে গাড়ি চালাবে এটায় নিয়ম ছিল। কিন্তু কেউ তা মানতো না। ফলে কোন দূর্ঘটনা হলে মাথায় আঘাত প্রাপ্ত হয়ে মারাত্মকভাবে আহত বা নিহত হত।একটি দুর্ঘটনায় কেড়ে নিয়েছিল অনেক পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটিকে।আবার অনেক সময় দেখা যায় একটা মোটরসাইকেলের ৪ জন আরোহী এবং পরিবারের সবাই আরোহন করে। কিন্তু কারো মাথায় হেলমেট থাকে না।এমতাঅবস্থায় সরকারি নীতি নির্ধারনী সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ১৫ দিন আগে থেকে মোটর সাইকেলে চালক এবং আরোহীর দুজনেরই হেলমেট ব্যবহারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত বাধ্য করা হয়।
রাস্তায় বের হলে এখন সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটি চোখে পড়ে তা হচ্ছে চালক ও যাত্রী উভয়ের মাথায়ই হেলমেট। নগরবাসী বলছেন,নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সফলতা হচ্ছে হেলমেটের ব্যবহার। এর ফলে বর্তমানে এখন পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ পেয়েছে। মোটর সাইকেলে গুটি কয়েকজন ছাড়া আর সবাইকে দেখা যায় হেলমেট পড়ে গাড়ি চালাতে এবং গাড়িতে আরোহন করতে। রাস্তায় হেলমেট বিহীন কাউকে দেখলে ট্রাফিক পুলিশ হেলমেট ব্যবহারে বাধ্য করছে এবং সর্তক করছে। এটি একটি সময় উপযোগি পরিবর্তন বটে।বাংলাদেশে সচেতনতায় এখন আস্তে,আস্তে নিয়ম পরিবর্তন হচ্ছে।
এ অবস্থা চলতে থাকলে একদিন দুর্ঘটনার হাত থেকে প্রতিটি পরিবারের প্রতিটি ব্যক্তি বাঁচতে পারবে। একটি কথা মনে রাখতে হবে জীবনের জন্য হেলমেট, জীবন বাঁচার জন্য হেলমেট, দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য হেলমেট, এটি একটা জীবনের নিশ্চয়তা দিতে পারে। তাই এখনো যারা সচেতন হতে পারেননি তারা খুব শীঘ্রই সচেতন হবে বলে আশা করি। আপনি এবং আপনার পরিবারের সুরক্ষার জন্য এবং দুর্ঘটনা থেকে বাঁচার জন্য মাথায় হেলমেট ব্যবহার করুন।