নিউজ ডেস্ক: এক কোটি টিকা দেওয়ার জন্য বিরতিহীনভাবে টিকা কার্যক্রম চলবে। সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম। এক কোটির ওপরে টিকা দিতে পারবো বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য সচিব লোকমান হাকিম মিয়া। শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে টিকা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে একথা বলেন তিনি।
সচিব বলেন, প্রথম ডোজের জন্য যে টার্গেট নেওয়া হয়েছে তাতে সবাই রেসপন্স করছে। আশা করি, আমরা এক কোটির যে টার্গেট নিয়েছি, সেটা শেষ করে আরো বেশি দিতে পারবো।
প্রথম ডোজের টিকা আজ শেষ না হলে সময় বাড়াবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, আজকে টার্গেট পূরণ না হলে সময় বাড়ানো হবে কিনা এবিষয়ে সন্ধ্যার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক, উপ পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. আশরাফুল আলম।
আর এদিকে– চট্টগ্রামে সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ৪১টি ওয়ার্ড ও নগরীর ১৫টি উপজেলায় একসঙ্গে এ টিকাদান কর্মসূচি চলছে। সকাল থেকে টিকা নিতে কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ করা গেছে। নগরী ও জেলায় একদিনে (শনিবার) সাড়ে চার লাখ লোককে গণটিকা কার্যক্রমে করোনার প্রথম ডোজ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বলেন, ‘চট্টগ্রামে গণটিকা কার্যক্রম সকাল থেকে সুষ্ঠুভাবে চলছে। সকালে লালদিঘীর পাড় টিকাদান কেন্দ্রসহ নগরীর বেশকটি কেন্দ্র সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। টিকা নিতে আসা লোকজন সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকা গ্রহণ করছেন।
তিনি আরও বলেন, আজ (শনিবার) একদিনে নগরী ও জেলার ১৫টি উপজেলায় সাড়ে চার লাখ মানুষকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। আশা করছি, আমরা সফল হবো।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্বাস্থ্য সুপার সুজন বড়ুয়া বলেন, জেলার ১৫টি উপজেলার ২শ’ ইউনিয়নের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে এ গণটিকা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। মহানগরীতে সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় টিকাদান কার্যক্রম চলছে। নগরীর মধ্যে তিনটি কেন্দ্র অফিসার্স ক্লাব, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে টিকাদান কার্যক্রম মনিটরিং করা হচ্ছে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে। পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকার মজুত আছে। কেন্দ্রে আসা সবাই এ টিকা পাবেন।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয় সূত্র জানায়, সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ৪১টি ওয়ার্ডে শনিবার একদিনে এক লাখ ৮৪ হাজার লোককে করোনার টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। কর্মসূচির আওতায় প্রতি ওয়ার্ডে সাড়ে ৪ হাজার নাগরিককে এ টিকা দেওয়া হবে। প্রতি ওয়ার্ডে ৫টি টিকা কেন্দ্র থেকে এই কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।
এসএস