স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপনের জমকালো অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রথম বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে ঢাকায় এসেছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ। মালদ্বীপের ফার্স্ট লেডি ফাজনা আহমেদও তার সঙ্গে এসেছেন।
বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের নেতৃত্বে তাকে অভ্যর্থনা জানান আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, ১০ দিনের এ আয়োজনে ১৯ মার্চ শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে, ২২ মার্চ নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারী, ২৪ মার্চ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং এবং ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যোগ দেবেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ।
এর পরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সলিহ। বুধবার সকাল সোয়া ১০টায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এর আগে সকাল পৌনে ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।

আজ বুধবার সকালে ঢাকায় নেমেই মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট সড়কপথে সরাসরি চলে যান সাভারে। জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিত শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তিন বাহিনীর সুসজ্জিত একটি দল তাঁকে সম্মান প্রদর্শন করে। উত্তোলিত হয় জাতীয় পতাকা, বিউগলে বেজে ওঠে করুন সুর। পরে তিনি স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং সেখানে একটি বকুল ফুল গাছের চারা রোপন করেন।
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের আগমনকে কেন্দ্র করে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং আশেপাশের এলাকায় নেওয়া হয় চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
জাতীয় স্মৃতিসৌধের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্দেশে রওনা করেন।
এসএস