এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। প্রকাশিত ফলাফলে যশোরে পাশের হার ৮৭.৩১%, ময়মনসিংহে ৮০.১৩%, বরিশালে ৭৯.৭০%, কুমিল্লা ৮৫.২২%, চট্টগ্রামে ৮৪.৭৫%, রাজশাহীতে ৯০.৩৭%, দিনাজপুরে ৮২.৭৩%।
রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। পরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ফেসবুক লাইভে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, এসএমএস, প্রি-রেজিস্ট্রেশন এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবে শিক্ষার্থীরা।
এই বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ৩ ফেব্রুয়ারি। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ৫ মার্চ। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল ঘোষণা করার কথা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ফল প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হলো।
উল্লেখ্য, এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন পরীক্ষার্থীর। এরমধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ২৪ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১০ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬ জন। ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে শুধু এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ২২ হাজার ১৬৮ জন। এরমধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৬ হাজার ৭২১ জন।
এ বছর দেশের বাইরের ৯টি কেন্দ্রে ৩৩৬ পরীক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ৩১৮ জন। পাসের হার ৯৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিভাগভিত্তিক ফলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে সবচেয়ে বেশি ৯৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এছাড়া মানবিকে ৭৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পরীক্ষার্থীদের পাসের হার ৮৪ দশমিক ৮০ শতাংশ।
অপরদিকে পাসের হারে এগিয়ে আছে যশোর বোর্ড। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৭.৩১, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন। বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৭৯.১০। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩। কুমিল্লা ৮৫.২২, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৪৫ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে পাশের হার ৮০.৩১, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৪৩৪ জন।
বরিশাল বোর্ড পাশের হার ৭৯.৭০, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩। সিলেট বোর্ড পাশের হার ৭৮.৭৯ , জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৬৩ জন। দিনাজপুর বোর্ডে বোর্ড পাশের হার ৮২.৭৩ , জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২ হাজার ৮৬ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে বোর্ড পাশের হার ৮৪.৭৫, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৮ জন।