২ জম্ম নিবন্ধনে ২ চাকরি করেন স্বাস্থ্যর সুজন!


১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১২:৪৭ : পূর্বাহ্ণ

তথ্যগোপন ও স্থায়ী ঠিকানা জালিয়াতি করে একই সরকারি সংস্থায় চাকরি নিয়েছে দুইটি। আর এই জন্য তিনি ব্যবহার করছেন পৃথক দুইটি ইউনিয়ন পরিষদের দুইটি জন্ম নিবন্ধন সনদ ও দুইটি স্থানীয় নাগরিকত্ব সনদ (জাতীয়তা সনদ পত্র)। মিথ্যা তথ্যদিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দা স্বরূপ বোমাং চীফ সার্কেলের সনদ। এরপর সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বোকা বানিয়ে একের পর এক নিয়েছেন বিস্ময়কর পদোন্নতি। আর এসবের মধ্যদিয়ে যেন হাতে পেয়েছেন আলাদিনের চেরাগ।

গুনধর এই ব্যক্তির নাম সুজন বড়ুয়া। বর্তমানে জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক পদে কর্মরত আছেন চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের নামে ভাগিয়েছেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক’র মতো আরও একটি পদ।

অভিযোগ উঠেছে, অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থে চট্টগ্রাম মহানগরের খুলশীতে ক্রয় করেছেন ফ্ল্যাট। উখিয়ার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের মরিচ্যা পালং গ্রামের বাড়িতে ইট-টাইলসে তৈরি করেছেন পাকা দালান। নামে- বেনামে ক্রয় করেছেন অনেক সহায় সম্পত্তি।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন এর কার্যালয় সূত্রে জানাযায়, উপজাতি নারী সহকর্মীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে সুজন বড়ুয়া বান্দরবানে অভিযুক্ত। এই ঘটনায় বরখাস্ত করা হয় তাকে। তবে রহস্যজনক কারণে সেই মামলাটিও চাপা পড়ে আছে বান্দরবান সিভিল সার্জন এর কার্যালয়ে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন’র (পিএসসি) অনুমোদন ছাড়াই ড্রয়িং ডিস্বার্সিং (আয়ন-ব্যায়ন) অফিসার পদ ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে নিজ স্বাক্ষরে তুলছেন বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য আনুসাঙ্গকি অর্থ। স্বাস্থ্য বিভাগের তার এসব দুর্নীতি ও অনিয়ম জানার পরও ভয়ে মুখ খুলছেন না কেউই।

তবে তার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে চাকরির বিষয়ে রাঙামাটি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা (চ.দা.) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা খোকন চাকমা লিখিত উত্তরে জানান, ১৯ এপ্রিল ২০১২ রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এর ৩৭৬ নং স্মারকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির নং- ৪-এ জেলার ৮টি স্যানেটারি ইন্সপেক্টর পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তির ৩ নং শর্ত অনুযায়ি পার্বত্য তিন জেলার (বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি) প্রার্থীগণ আবেদন করতে পারবেন, তবে রাঙামাটি জেলার প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। এই বিজ্ঞপ্তির আলোকে দুইজনকে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। তম্মধ্যে সুজন বড়ুয়া নিজেকে বান্দরবানের স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে আবেদন করেন এবং তিনি সরাসরি নিয়োগ পেয়েছেন।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে খোকন চাকমা লিখিতভাবে জানান, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ’র এই নিয়োগে সমতলের কারোই আবেদন করার সুযোগ নেই। তাছাড়া সমতলের কাউকে রাঙামাটিতে নিয়োগ দেওয়া বা পদায়ন-পদোন্নতি করা হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৪ সালে ‘স্বাস্থ্য সহকারী’ পদে চাকরি নেন ‘সুজন বড়ুয়া’। সেই সময় তার স্থায়ী ঠিকানা দেখান কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের মরিচ্যা পালং গ্রামে। ওই গ্রামের-ই বিমল চন্দ্র বড়ুয়া ও প্রীতি রানী বড়ুয়ার পুত্র তিনি। সেসময় উখিয়ার উপজেলার স্থানীয় হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদ’র ১৯ নম্বর বইয়ে তার জন্মবৃত্তান্ত লিপিব্ধ করা হয়েছে। তার জন্ম নিবন্ধন নাম্বার ১৯৮ ৩২২ ১৯৪ ১৫৫ ০৪ ৬৬৬। জন্ম তারিখ- ২৫ অক্টোবর ১৯৮৩। ২০১০ এর ১০ জুলাই তার এই জন্মনিবন্ধন লিপিবব্ধ এবং একই তারিখে সনদ ইস্যু করা হয়।

এরআগে একই তথ্যের ভিত্তিতে ওই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে স্থানীয় জাতীয়তা সনদ (নাগরিকত্ত্ব সনদ) নিয়েছেন তিনি। যার সিরিয়াল নাম্বার ৮৪৮ তাং ১৫ অক্টোবর ২০০৩। এসব সনদ ও তথ্য উপাত্যে ২০০৪ সালের ৭ জুলাই কক্সবাজারের উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ‘স্বাস্থ্য সহকারী’ পদে চাকরিতে যোগদেন। ওইসময় স্বাস্থ্য বিভাগের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিকট একটি অঙ্গিকারপত্র জমা দেন তিনি। এই অঙ্গিকার পত্রেও নিজের স্থায়ী ঠিকানায় উল্লেখ করেন, গ্রাম-মরিচ্যা পালং, পোষ্ট অফিস- মরিচ্যা বাজার, ইউনিয়ন- হলদিয়া পালং, উপজেলা- উখিয়া, জেলা- কক্সবাজার।

সুজন বড়ুয়া এসব সনদ ও তথ্য-উপাত্যের ভিত্তিতে প্রায় ৮ বছর স্বাস্থ্য সহকারী পদে চাকরি করেন। এই চাকরি থাকা অবস্থাতেই ২০১২ সালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীন স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে আবারও চাকরি নেন তিনি। এই চাকরির আবেদন থেকে শুরু করে চাকরিতে যোগদান সকল কাগজপত্রে নিজের স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করেন “পার্বত্য বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ির ৩নং ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ’র ৫নং ওয়ার্ড, উত্তর ঘুনধুম বড়ুয়া পাড়া”। এসব তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করেন বান্দরবান জেলার স্থায়ী বাসিন্দা স্বরূপ বোমাং চীফ সার্কেলের সনদ। নতুনভাবে করা হয় জন্ম নিবন্ধন। নিয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের নাগরিকত্ত্ব সনদও।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীন স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগকালিন জমা দেয়া সুজন বড়ুয়ার জন্ম বিন্ধন সনদ যাচাই করে দেখা যায়, বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৩নং ঘুমধুম ইউনিয়ন পরিষদ’র ৭ নম্বর বইয়ে তার জন্মবৃত্তান্ত লিপিবব্ধ করা হয়েছে। জন্ম নিবন্ধন নম্বর ১৯৮ ৩০৩ ১৭৩ ৫৭১ ০০ ৯৯৪। জন্ম নিবন্ধন তথ্যে সুজন বড়ুয়ার পিতার নাম- বিমল চন্দ্র বড়ুয়া, মাতা-প্রিতি রানী বড়ুয়া। ২৫ অক্টোবর ১৯৮৩ তারিখে ওই ইউনিয়নের ঘুমধুম বড়ুয়া পাড়ায় সে জন্ম গ্রহণ করেছে। ১৪ এপ্রিল ২০১২ তারিখে তার এই জন্ম নিবন্ধন এবং জন্ম সনদ ইস্যু করা হয়েছে।

তবে—এই ইউনিয়ন পরিষদ’র অনলাইন জন্ম নিবন্ধনে সুজন বড়ুয়ার পিতার নাম- বিমন কান্তি বড়ুয়া এবং মাতার নাম প্রীতি রানী বড়ুয়া প্রদর্শিত হচ্ছে। একই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নিয়েছেন জাতীয়তা সনদ পত্র তথা স্থানীয় নাগরিকত্ব সনদ পত্র। যার সিরিয়াল নম্বর ৬৩৫, তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০১২। নিয়েছেন বান্দরবান বান্দরবানের স্থায়ী বাসিন্দা স্বরূপ বোমাং চীফ সার্কেল এর সনদ পত্র। যার সিরিয়াল নম্বর ২৩০০৩, তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১২। বোমাং চীফ সার্কেল থেকে নেওয়া স্থায়ী বাসিন্দা সনদ পত্রে উল্লেখ রয়েছে সুজন বড়ুয়া নাইক্ষ্যংছড়ির ২৬৭ নং ঘুমধুম মৌজার উত্তর ঘুমধুম বড়ুয়া পাড়ার বাসিন্দা।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) এর দপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করা শর্তে বলেন, রাঙামাটি জেলা পরিষদের এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে তিন পার্বত্য জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ব্যতীত বাহিরের প্রার্থীরা আবেদন করার সুযোগ ছিল না। তাছাড়া, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের ওই “নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি’র” ৮নম্বর শর্ত উল্লেখ রয়েছে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে চাকরি’র জন্য আবেদন করতে হবে। চাকরিতে যোগদানের আগে সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতিপত্র গ্রহণ করতে হবে।

তবে নিয়োগের এসব শর্ত কোনটিই মানেননি সুজন বড়ুয়া। নতুন চাকরির আবেদন ও নিয়োগপত্রে স্থায়ী ঠিকানা পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি ঘুনধুম বড়ুয়া পাড়া দেখালেও সুজন বড়ুয়া মূলত কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলিদিয়া পালং গ্রামের বাসিন্দা।

রাঙামাটি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা খোকন চাকমা জানান, ২০১২ সালে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে নতুন চাকরি নিয়ে পার্বত্য রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদেন সুজন বড়ুয়া।

অভিযোগ রয়েছে, নতুন এই চাকরিতে যোগদানের পরপরই জানাজানি হয়ে যায় তার মিথ্যা তথ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী বাসিন্দা সনদ, একাধিক ইউনিয়র পরিষদ থেকে জাতীয়তা সনদ পত্র ও জন্ম নিবন্ধন সনদ গ্রহণ এবং স্থায়ী ঠিকানা জালিয়াতি করে পার্বত্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক কোটায় চাকরি নেয়ার বিষয়টি। এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ’র চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন রাঙামাটির স্থানীয়রা।

সুজন বড়ুয়া বিপদ আঁচ করতে পেরে এই অভিযোগের পরই গোপনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ নিয়ে চলে যান বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখান থেকে নিজ বেতনে পদায়ন হন বান্দরবান জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর পদে। ওই সময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি মারমা সম্প্রদায়ের এক নারী স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে বরখাস্ত হন সুজন বড়ুয়া। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় বিভাগীয় মামলা। তবে এসব কিছু আড়াল করে বান্দরবানের তৎকালিন সিভিল সার্জন ফের স্ট্যান্ড রিলিজ নিয়ে সুজনকে ফেনী সিভিল সার্জন অফিসে চলে যেতে সহযোগিতা করেন।

এরপর জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর’র বেতনে (নিজ- বেতনে) পদায়ন হন জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক পদে। ফেনী জেলায় স্যানিটারি ইন্সপেক্টর দায়িত্ব পালনের কিছুদিন যেতে না যেতেই তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে। একইভাবে এই অভিযোগ ধামাচাপা দিতে ২০১৮ সালে ফেনী সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ নিয়ে যোগ দেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন অফিসে। এবার এখানে জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়কের বেতন-ভাতায় দখলে নেন ‘চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক’ ও জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টরসহ গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদ।

বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) চট্টগ্রাম এর দফতর সূত্রে জানা যায়, পদোন্নতি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২১ জুলাই জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর’দের (ডিএসআই) ১৫ জনকে জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক (ডিএইচএস) পদে পদোন্নতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর আগে ডিএসআই ও ডিএইচএস পদোন্নতি-পদায়ন যোগ্য প্রার্থীদের পদোন্নতির গ্রেডেশন তালিকা প্রস্তুত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

গত ১৫ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সেই তালিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়। আর ওই ডিএইচএস পদোন্নতি তালিকায় চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়কের পদে থাকা সুজন বড়ুয়ার অবস্থান ২২ নম্বরে। তবে এই তালিকার ১৫ জন পদোন্নতি পেলেও বাদ পড়েন সুজন বড়ুয়াসহ মোট ৭ জন। তবে সুজন বড়ুয়া সরকারি গেজেট ছাড়াই এই পদ ব্যবহার করে ভোগ করেন সরকারি সব সুযোগ সুবিধা।

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে সুজন বড়ুয়ার মুঠোফোনে কল দেয়া হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এই বিষয়ে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা: মো. ইলিয়াস চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সুজনের জালিয়াতির কোন ডকুমেন্টস থাকলে আমাকে লিখিত অভিযোগ দেন, তার বিরুদ্ধে যথাযত ব্যবস্থা নিব।

বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি খুবেই মারাত্মক, তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই প্রসঙ্গে চট্টগ্রামের বিজ্ঞ এক আইনজীবী বলেন, হিলটেক্স ম্যান্যূয়েল ও সরকারের পার্বত্য বিধি অনুযায়ী সমতলের অ-উপজাতিদের তিন পার্বত্য জেলায় ভূমি ক্রয়-বিক্রয়, বন্দোবস্তি ও বাসিন্দা হওয়ার কোনো সুযোগই নাই। যদি সমতলের কোনো ব্যক্তি পাহাড়ে গোপনে জমি ক্রয় করেন, তা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং দন্ডনীয় অপরাধ।

সকালের-সময় ডটকম

0Shares

আরো সংবাদ