রাঙামাটিতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বার্ষিক ফায়ারিং প্রশিক্ষণে এক নারী কনস্টেবলের মিসফায়ারে গুলিবিদ্ধ তিন পুলিশ সদস্যকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) বেতবুনিয়া পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুলে (পিএসটিএস) ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, মিনু আরা, অভি বড়ুয়া ও সুমন কান্তি দে। চমেকের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন তারা। তারা তিন জনই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অধীনে যথাক্রমে আকবর শাহ ও বাকলিয়া থানায় কনস্টেবল পদে কর্মরত।
গুলিবিদ্ধ পুলিশের তিন সদস্য চমেক হাসপাতালে ভর্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান।
রাঙামাটির কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আলী জানান, ফায়ারিংয়ের সময় মাথা ঘুরে পড়ে যান স্পেশাল ফোর্সের কনস্টেবল নার্গিস। তার গুলিতে কনস্টেবল মিনোয়ারা, সুমন ও অভি বিদ্ধ হন। মিনোয়ারা পাহাড়তলি থানায় এবং সুমন ও অভি বড়ুয়া বাকলিয়া থানায় কর্মরত আছেন।
পিএসটিএসে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলের (টিআরসি) পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম জানান, আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। মিনুয়ারার কাঁধে আঘাত, সুমন খান বাঁ পায়ে ও অভি বড়ুয়া ডান হাতে আঘাত পেয়েছেন। সবাই শঙ্কামুক্ত। প্রশিক্ষণকালে এমন ঘটনা ঘটেছে, এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় বলেন, বেতবুনিয়া ফায়ারিং রেঞ্জে ট্রেনিং চলাকালে এক কনস্টেবল মেশিনগানের গুলি ছুড়েই জ্ঞান হরিয়ে ফেলেন। এতে তিন কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হন। এক নারী কনস্টেবলসহ গুলিবিদ্ধ তিনজনকেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
এসএস