বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ বাবুর মৃত্যুবার্ষিকী আজ


৪ নভেম্বর, ২০২২ ১২:৫৪ : অপরাহ্ণ

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

২০১২ সালের ৪ নভেম্বর তিনি সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। এ উপলক্ষে মরহুমের পরিবার, উপজেলা প্রশাসন, আওয়ামী লীগসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত, কবর জেয়ারত, পুষ্পমাল্য অর্পণ ও তবারুক বিতরণ। এসব কর্মসূচিতে মরহুমের জ্যেষ্ঠপুত্র ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জমান চৌধুরী জাবেদ এমপি প্রধান অতিথি থাকবেন।

এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করবে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, আখতারুজ্জমান বাবুর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল, পুস্পমাল্য অর্পণ, জেয়ারত ও তবারুক বিতরণের আয়োজন করেছে। কর্মসূচিতে সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেবে।

আনোয়ারা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী জানান, আখতারুজ্জামান বাবুর মৃত্যুবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যদায় পালন করা হবে। কর্মসূচিগুলোতে প্রয়াত নেতার প্রতি ভালবাসায় হাজারো নেতাকর্মী যোগ দেবেন। প্রয়াত নেতার স্মরণে ইতোমধ্যে আনোয়ারার বিভিন্ন সড়কে তোরণ নির্মাণ, ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম-১২ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসন থেকে চার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আখতারুজ্জামান চৌধুরী আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর গ্রামে তার জন্ম। বাবা আলহাজ নুরুজ্জামান চৌধুরী ছিলেন আইনজীবী, মা খোরশেদা বেগম।

শিল্পপতি বোয়ালখালী উপজেলার মরহুম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর মেয়ে নুর নাহার জামানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও তিন মেয়ে আছে। ছেলেদের মধ্যে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বর্তমান সরকারের ভূমিমন্ত্রী, আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি এবং আসিফুজ্জামান চৌধুরী জিমি পারিবারিক ব্যবসা-বাণিজ্য দেখাশোনা করেন।

আখতারুজ্জামান বাবু ১৯৭৭ সাল থেকে আওয়ামী লীগ চট্টগ্রাম (দক্ষিণ) এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি সংসদের পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের একজন নেতৃস্থানীয় শিল্পোদ্যোক্তা। তিনি ছিলেন ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি), জনতা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ও আরামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।

এছাড়াও তিনি ফেডারেশান অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) এর সভাপতি, দুইবারের জন্য চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (সিসিসিআই)-এর নির্বাচিত সভাপতি, প্রথম বাংলাদেশি হিসাবে গ্রুপ-৭৭ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহ-সভাপতি এবং ওআইসিভুক্ত দেশসমূহের চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

সকালের-সময়/ফোরকান

0Shares

আরো সংবাদ