সবুজায়নের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ওয়ার্ড গড়তে চান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের (বর্তমান কাউন্সিলর) আওয়ামীলীগের কাউন্সিলর প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। সাক্ষাৎকারে তিনি সকালের-সময়কে বলেন ৩৬ নং ওয়ার্ডকে মাদকমুক্তসহ ড্রেনেজ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করতে চান।
তিনি বলেন, পানি ও মশক সমস্যার সমাধান, প্রশস্ত রাস্তা, খেলার মাঠ, কমিনিউটি সেন্টার নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে আমার এ ওয়ার্ডে, আমি অবশিষ্ট উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে নিতে আবারো কাউন্সিলর পদে দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছি, আশা করি এবারও এলাকার মানুষ আমাকে নির্বাচিত করবে।
জাহাঙ্গীর আলম সকালের-সনয়কে আরো বলেন, এ ওয়ার্ডে অনেক উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে। যেগুলো বাকি আছে সেগুলো চলমান রয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। মাদক আগের তুলনায় নেই বললে চলে। তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হওয়ার আগে এ ওয়ার্ডে রাস্তাঘাট, পানি, গ্যাসসহ নানা প্রকার সমস্যা ছিল, আমি ৪ বারের কাউন্সিলর, ইশতেহার অনুযায়ী এ এলাকায় শতভাগ কাজ করেছি।
তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের জন্য কাজ করছি। পুনরায় নির্বাচিত হলে কমিউনিটি সেন্টার ও খেলার মাঠ তৈরিসহ এ ওয়ার্ডকে একটি মানবিক আধুনিক ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলব। ভোটাররা আমাকে এলাকায় জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রত্যাশা করেন। আমি গত ৪ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচন করেছি এতে জনগন আমায় নির্বাচিত করেছে।
এলাকার উন্নয়নে যা যা করণীয় সবকিছু করেছি এবং সারাজীবন আরো কাজ করে যেতে চাই। আমি এ এলাকায় দক্ষ ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন কাউন্সিলর। আমি, তৃণমূল থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করে আসছি। আশা করি এবারেও আমি জয় লাভ করব।
৩৬ নাম্বার গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের মানুষের পাশে সুখে দুঃখে সবসময় দাঁড়াইছি। যারা মানুষের সুখে দুঃখে সবসময় পাশে থাকবে এমন একজন ব্যক্তিকে তারা নির্বাচিত করবে। এই ওয়ার্ডের কী সমস্যা আছে তা জনগণই ভালো বলবে। আমি নির্বাচিত হলে বর্তমান সমস্যা সমাধানসহ সব ধরনের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করব।
সর্বশেষ আমি এটাই বলব, আমার দল আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে, আমি নির্বাচন করছি। কেননা আমার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই। আশা করি, ভালো একজন মানুষকে এলাকাবাসী জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করবে। ধন্যবাদ সবাইকে।
সকালের-সময় ডট কম