চট্টগ্রামে হুন্ডি-চোরা চালানের রমরমা ব্যবসা—নিয়ন্ত্রণে ২৫০ ব্যবসায়ী


২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ৯:৫৪ : অপরাহ্ণ

দিন দিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে হুন্ডি-চোরা চালান সিণ্ডিকেট। পাশাপাশি হুন্ডির মাধ্যমে আসা টাকা হস্তান্তরের সময় ঘটছে ছিনতাইও। তবে এগুলোর বেশির ভাগই অজানা থেকে যায়। ছিনতাইয়ে সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি পুলিশেরও জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। সোনা, ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে হুন্ডির বাণিজ্য। প্রতি বছর হুন্ডির মাধ্যমে কী পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে, তার সঠিক তথ্য নেই কারো কাছে। কারা কীভাবে হুন্ডি করছে সে তথ্যও জানে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যমতে, দেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার হচ্ছে। প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে প্রায় দুইশ থেকে তিনশ ব্যবসায়ী নিয়ন্ত্রণ করছেন চট্টগ্রামের হুন্ডি বাণিজ্য। কার্যক্রম চলছে স্থানীয় ও অবাঙ্গালি দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে। ব্যবসায়িক প্রাণকেন্দ্র চাকতাই-খাতুনগঞ্জ, রিয়াজউদ্দিন বাজার, হাজারীগলিই বাণিজ্যের অন্যতম স্থান। চট্টগ্রামে প্রবাসীদের পাঠানো টাকার প্রায় ৬০ ভাগই আসছে হুন্ডির মাধ্যমে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসছে বেশি টাকা। একাধিক গোয়েন্দা সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় অবৈধ এ ব্যবসা এখন ওপেন সিক্রেট। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুন্ডি ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ঊর্ধ্বতন মহল থেকে নির্দেশ অনুযায়ী প্রমাণ পেলেই আমরা অভিযান চালাই। তবে সিএমপির অপর এক কর্মকর্তা বলেন, পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন শাখার অঘোষিত ক্যাশিয়াররা হুন্ডি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসোহারা নেন। ক্যাশিয়ার চক্রটি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের নামে ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ, নগর গোয়েন্দাদের নামে ২৫ থেকে ৮০ হাজার ও সিআইডির নামে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, অবাঙ্গালী গ্রুপ আমদানি-রপ্তানি, ইনডেন্টিং ব্যবসা, ট্রাভেল এজেন্সি, ক্রোকারিজ, পুরনো কাপড়, মসুর ডালসহ নানা পণ্যের আমদানিকারক সেজে আড়ালে পরিচালনা করছে হুন্ডি ব্যবসা। বিদেশে পাচার করছে শত শত কোটি টাকা। আমদানি-রপ্তানিকারক ও ইনডেন্টরদের একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী চক্র আন্ডার ইনভয়েস করে পণ্যের এলসি করে। এসব এলসির বিপরীতে যে পরিমাণ টাকা বিদেশে প্রয়োজন তা তাদের মাধ্যমে পাচার করা হয়।

তারা সংঘবদ্ধভাবে চোরাকারবারের মাধ্যমে মিথ্যা ঘোষণায় বিভিন্ন আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যও নিয়ে আসে। স্থানীয় চক্রটি সিন্ডিকেট, উপ-সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন দেশে থাকা বাঙ্গালি প্রবাসীদের কাছ থেকে হুন্ডির জন্য টাকা সংগ্রহ করে। ওই টাকা বিভিন্ন চোরাচালানের ব্যবসায় বিনিয়োগ করে, যার বিনিময়ে চোরাইভাবে দেশে আসছে স্বর্ণ ও অস্ত্রসহ নানা আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যসামগ্রী। আবার এসব টাকা থেকে আন্ডার ইনভয়েসে পণ্য আমদানির অতিরিক্ত টাকাও পরিশোধ করে অনেকে। এতে সরকার হারাচ্ছে শত শত কোটি টাকার রাজস্ব।

সূত্র আরো জানায়, দুবাই, সিঙ্গাপুরসহ যেসব দেশ থেকে সোনার বড় বড় চালান আমদানি করা হয়, সেখানে কেবল হুন্ডির মাধ্যমেই কোটি কোটি টাকা পাঠানো সম্ভব হয়। এ ক্ষেত্রে দুবাইয়ের সোনার মার্কেটেই গড়ে উঠেছে বাংলাদেশি হুন্ডি চক্রের সচল বাণিজ্য। একইভাবে ইয়াবার চালান আমদানির বিনিময়ে মিয়ানমারে হুন্ডির মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে টাকা। আবার মধ্যপ্রাচ্যের আরব আমিরাত, দুবাই, ওমান, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশীদের অনেকে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠান।

এদের মধ্যে অনেকে আবার অবৈধভাবে কর্মরত থাকায় তারা বৈধ কাগজপত্রের অভাবে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠাতে পারেন না। ফলে তারা দেশে পরিবার-পরিজনের কাছে হুন্ডি ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বাধ্য হয়ে টাকা পাঠিয়ে থাকেন।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরীর নিউমার্কেট ও রিয়াজউদ্দিন বাজারকেন্দ্রিক কমপক্ষে ৩০ ব্যবসায়ী মিয়ানমার থেকে ইয়াবা আনতে অর্থ বিনিয়োগ করছে। ইয়াবার জন্য তারা হুন্ডির মাধ্যমে মিয়ানমারে টাকা পাঠাচ্ছে বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ। আনোয়ারা কেন্দ্রিক ১২টি ইয়াবা সিন্ডিকেটের মধ্যে কয়েকটির সঙ্গে নিউমার্কেট-রিয়াজউদ্দিন বাজারের হাতেগোনা কয়েকজন ব্যবসায়ীর যোগসাজশের তথ্যপ্রমাণ আছে।

তথাকথিত কিছু ব্যবসায়ী আছে যারা রিয়াজউদ্দিন বাজার ও নিউমার্কেট কেন্দ্রিক। তারা ব্যবসার আড়ালে মূলত ইয়াবা ব্যবসা করে। তারা অর্থটা এখান থেকে দেয় আর হুন্ডির মাধ্যমে মিয়ানমারে পাচার হয়। অনেক সময় মিয়ানমার থেকে সরাসরি ইয়াবা আসে আনোয়ারায়। আর টাকাটা হুন্ডির মাধ্যমে পৌঁছে যায়।

হুন্ডির মাধ্যমে একটি ফোনেই দ্রুত নগদ টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা এবং টাকা পাঠানোর খরচও অপেক্ষাকৃত কম হওয়ার কারণে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা লেনদেনের দিকে ঝুঁকেন প্রবাসীরা। এর কৌশলটির মূল ব্যবসায়ী হল প্রবাসী। সে বিভিন্ন মাধ্যমে বাংলাদেশীদের জানিয়ে দেয় যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যে কোনো এমাউন্ট টাকা সে প্রবাসীদের বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দিবে।

যেসব প্রবাসীদের বাড়িতে টাকা পাঠানো জরুরি তারা ঐ হুন্ডি ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ করে। হুন্ডি ব্যবসায়ী নির্ধারিত ফি-এর বিনিময়ে তা পাঠানোর ব্যবস্থা করে। হুন্ডি ব্যবসায়ী তার দেশীয় বিনিয়োগকারীদের সাথে যোগাযোগ করে এবং সে তার বিলিকরণ কর্মীকে এসএমএস-এর মাধ্যমে ক্রেতাদের ফোন নম্বর উল্লেখ পূর্বক কাকে কত টাকা দিতে হবে জানিয়ে দেয়।

এবং তার কাছে কোথায় কে টাকা দিয়ে যাবে সে টাকাটা কোথা হতে সংগ্রহ করবে তাও বলে দেয়। বিলিকরণ কর্মী ঐ টাকা সংগ্রহ করে এসএমএস-এর মাধ্যমে উল্লেখ করে দেওয়া ফোন নাম্বারে ফোন করে টাকাটা নির্ধারিত সময়ে প্রবাসীদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে আসে। পুলিশের তালিকায় বেশ কিছু হুন্ডি ব্যবসায়ীর নাম থাকলেও তারা রহস্যজনক কারণে থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে।

বিমানবন্দরের কর্মচারী খুনের নেপথ্যে হুন্ডি

এদিকে চট্টগ্রামে শাহ আমানত বিমানবন্দরের কর্মচারী উসমান সিকদার খুনের ঘটনায় বের হচ্ছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এর পেছনে নিহতের দুই সহকর্মীর নাম উঠে এসেছে। পুলিশের অভ্যন্তরীণ একটি সংস্থার তদন্তে উঠে এসেছে হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেন চারজন। ঘটনার আগে হুন্ডির ৩০ লাখ রিয়াল নিয়ে ওসমানের সঙ্গে তার প্রতিপক্ষের বিরোধ সৃষ্টি হয়। যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে তারা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেননি।

বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা জানান, নিহত ওসমান সিকদার বিমানবন্দর কেন্দ্রিক চোরাচালান চক্রে জড়িত ছিলেন। চোরাচালানে জড়িত থাকার আলামত পেয়ে উসমানসহ আরও কয়েকজনকে শাহ আমানত থেকে সরিয়ে নিতে সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কাছে গত দুই মাসে একাধিক চিঠি দেয় শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

কিন্তু বরাবরই ঊর্ধ্বতনদের ম্যানেজ করে তারা থেকে যান বহাল তবিয়তে। সম্প্রতি উসমানকে শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ভবনে বদলি করা হলেও তিনি অকারণে ঘোরাফেরা করতে থাকেন টার্মিনাল ভবনে। যদিও সেখানে তার কোনো দায়িত্ব ছিল না।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উসমান সিকদারসহ সিভিল অ্যাভিয়েশনের বেশ কয়েকজন কর্মচারী বৈদেশিক মুদ্রা চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি ওসমানের সঙ্গে ফটিকছড়ির বাসিন্দা এক ব্যক্তির সঙ্গে ৩০ লাখ রিয়াল নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। কথা ছিল উসমান রিয়ালগুলো নিয়ে ইমিগ্রেশন পার হওয়া যাত্রীদের হাতে পৌঁছে দেবেন। কিন্তু উসমান রিয়ালগুলো সেই যাত্রীদের দেননি। তিনি প্রচার করেন রিয়ালগুলো গোয়েন্দা পুলিশ ছিনিয়ে নিয়েছে।

পরে উসমানের কাছ থেকে রিয়ালগুলো ফেরত পেতে চাপ দিতে থাকে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে তাকে পিটিয়ে টাকা আদায়ের পরিকল্পনা করে প্রতিপক্ষ। এরই ধারবাহিকতায় শাহ আমানত বিমানবন্দর সংলগ্ন লিংকরোড এলাকার একটি স্থানে নিয়ে তাকে পেটানো হয়। মারধরে অংশ নেয় চারজন। এই মারধরের একপর্যায়েই মারা যান উসমান সিকদার।

বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল বলেন, ঘটনাটি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের পরিচালক সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে অবহিত করি। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমাদের দুই কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনাস্থলে তাদের একজনকে হাঁটাহাঁটি করতে দেখা গেছে। আরেকজন লেনদেনের বিষয়টি আগে থেকে জানতেন। তবে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত এটির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাদের কাছ থেকে কোনো তথ্য নেওয়া যায় কিনা এজন্য আটক করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে স্বর্ণ চোরাচালানের দায়ে বিমান জব্দ

দুবাইফেরত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ চোরাচালানের সোনা বহনের অভিযোগে জব্দ করেছেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটির একটি আসনের নিচ থেকে ২ কেজি ৩২০ গ্রাম ওজনের সোনার বার উদ্ধার করা হয়। পরে বিকেলে উড়োজাহাজটি জব্দ করা হয়।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, জব্দ করা উড়োজাহাজটি চট্টগ্রামে যাত্রীদের নামিয়ে সকালেই ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে উড়োজাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সহযোগিতায় এই উড়োজাহাজের ‘৯জে’ আসনের নিচ থেকে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ২ কেজি ৩৩০ গ্রাম ওজনের ২০টি সোনার বার উদ্ধার করেন কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

এই অভিযানে অংশ নেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা শাখার কর্মীরাও। এ ঘটনায় ওই আসনের যাত্রী আতিয়া সামিয়াকেও গ্রেফতার করা হয়। তার বাড়ি রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানা এলাকায়। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

কর্মকর্তারা জানান, গ্রেফতার আতিয়া সামিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওশেন গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড জুয়েলারি’ নামে একটি দোকানে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করেন। দেশেও তিনি অনলাইনে সোনা বিক্রি করেন। জব্দ করা বোয়িং ৭৭৭-ইআর মডেলের উড়োজাহাজটির মূল্য ১ হাজার কোটি টাকা দেখানো হয়েছে। এই ঘটনা বিচারাদেশের জন্য নথি চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছেন কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. মিনহাজ উদ্দিন বলেন, চোরাচালানের পণ্য বহন করার অভিযোগে কাস্টমস আইন অনুযায়ী উড়োজাহাজটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকেও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ জব্দের ঘটনা এটিই প্রথম বলে জানা গেছে।

এসএস/এমএফ

0Shares

আরো সংবাদ