বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে জনজীবনে অস্বস্তি তৈরি করেছে কিছু অসাধু অতি মুনাফাখোর ব্যাবসায়ী। করোনা সংকটে যেখানে জনজীবন স্থবির সেখানে চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরিতে ব্যাস্ত এসব অসাধু ব্যাবসায়ী।
আজ ৮ জুন’ সোমবার ১২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত করোনাকালীন সময়ে অক্সিজেন সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও নেবুলাইজারের দাম বৃদ্ধির বিরুদ্ধে নগরীর আন্দরকিল্লা, সদরঘাট ও প্রবর্তক মোড়ে, ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক।

তিনি জানান “বর্তমান করোনা সংকটে কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী মানুষের জীবন নিয়ে খেলা শুরু করেছে। তারা মানুষের অসহায়ত্তের সুযোগ নিয়ে অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সিলিন্ডার সহ চিকিৎসা সামগ্রীর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও দাম বৃদ্ধি করে ক্রেতাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছিল অনেক দিন ধরে ।
অসুস্থ মানুষের জীবন রক্ষার্থে তাদের কাছে দারস্থ হচ্ছে রোগীর স্বজনরা যে কোন কিছুর বিনিময়ে।” আপনজনদের বাঁচাতে বাধ্য হয়ে বেশি দামে অক্সিজেন কিনে আসছিল এতো দিন ধরে।এই ধরনের অনিয়মের ফলে আজকের অভিযানে নগরীর সদরঘাটের মেসার্স ব্রাদার্স প্রকৌশলী ওয়ার্ক নামের একটি ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান কে ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালত।

ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিক দিলীপ কুমার কোন ধরনের ইনভয়েস ও ব্যাবসা সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। নিজেদের মতো বিক্রয় করে আসছিল সিলিন্ডার ও মিটারসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি।
সিলিন্ডার প্রতি লাভ করেছে প্রায় ১০,০০০( দশ হাজার)থেকে ১৫,০০০ (পনের হাজার) টাকা এবং মিটার প্রতি লাভ করেছে ২০০০ হাজার থেকে ৩০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এভাবে সাধারন জনগনকে জিম্মি করে করোনা পরিস্থিকে পুঁজি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে ব্যস্ত এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী।
অভিযানে আন্দরকিল্লার তাজ সার্জিকেল ও নিপা সার্জিকেল এ অক্সিজেন সিলিন্ডার পাওয়া যায়নি। আন্দরকিল্লার এবি সার্জিক্যাল ও প্রবর্তক মোড়ের কে কোবরা সার্জিক্যাল দোকান বন্ধ পাওয়া যায় বলে জানান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় নেতৃত্বদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক। তিনি জানান জনস্বার্থে এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।