বন্দরনগরী চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে চরপাথরঘাটা পুরাতন ব্রিজঘাট এলাকায় অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে মজুত করা হচ্ছিল কয়লা। আর এ কয়লার ডিপো উচ্ছেদে মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
এসময় ডিপো ইনচার্জ মো. আলামিনকে আটক করা হয়। অভিযানে জানা যায়, কয়লা মজুতকারীদের কোনো ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই। অভিযানের সময় ওই স্থানে প্রায় ১১ হাজার টন কয়লা মজুত পাওয়া যায়।
এসময় আটক আল আমিনকে এক বছরের কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত। পাশাপাশি মজুত করা কয়লা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নদীর তীর থেকে অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি।
কয়লার ডিপোটি স্থানীয় সাহারা এন্টারপ্রাইজের মালিকানাধীন বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। ঘটনাস্থলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কর্ণফুলী নদীর তীরে কয়লা মজুত করে বিপণনকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছিল।
জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে আমরা প্রায় ১১ হাজার টন কয়লা মজুত দেখতে পাই। অভিযানের সময় ডিপোটির মালিকানা প্রতিষ্ঠান সাহারা এন্টারপ্রাইজ ডিপো ফায়ার ও পরিবেশের কোনো ছাড়পত্র দেখাতে পারেননি।
তারা নিয়ম বর্হির্ভুতভাবে এসব কয়লা মজুত করেছিল। যে কারণে ডিপো ইনচার্জকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মজুত কয়লা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দ্বিতীয় পর্বে থাকছে সাহারা এন্টারপ্রাইজের অনিয়মের এক্সক্লুসিভ খবর।
সকালের-সময়/ফোরকান