স্পোটর্স রিপোর্ট :: লাঞ্চের আগে সেটাই ছিল শেষ ওভার। ১ উইকেটে ১২০ রান নিয়ে স্বস্তিতেই প্রথম সেশন শেষ করার দ্বারপ্রান্তে ছিল বাংলাদেশ। ২৮ তম ওভারের চতুর্থ বলে ইমরুলকে ফিরিয়ে সেশনটা বাংলাদেশের হতে দিলেন না লাকশান সানদাকান।
টসে জিতে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন। তামিম-ইমরুল যেন ‘ওয়ানডে মুডে’ ছিলেন আজ সকালে। লাহিরু কুমারার প্রথম ওভারে টানা ৩ চার মেরে শুরুটা করেন তামিম, ইমরুলও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন। ভাগ্যটাও অবশ্য ইমরুলদের পক্ষেই ছিল। কয়েকটি বল ব্যাটের কানায় লেগে স্লিপে গেলেও ধরতে পারেননি শ্রীলংকার কেউই।
৬ চার ও এক ছক্কায় ৪৬ বলেই ক্যারিয়ারের ২৫তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন তামিম। যখন মনে হচ্ছিল আজ বড় ইনিংস উপহার দিবেন, তখন ফিরে এলো অফ স্পিনারদের বিপক্ষে তার পুরনো ‘জুজু’। দিলরুয়ান পেরেরার নির্বিষ বল ঠেকাতে গেলেন, ব্যাট প্যাডের সামান্য ফাঁক দিয়ে বল ঢুকে গিয়ে স্টাম্পে লাগলো।
তামিম ফিরলেও মুমিনুল হককে নিয়ে রানের চাকা সচল রেখেছিলেন ইমরুল। মুমিনুলকেও দেখাচ্ছিল বেশ আত্মবিশ্বাসী, কয়েকবার ডাউন দ্যা উইকেটে এসে খেলেছেন চোখ ধাঁধানো শট।
দুজনের ৪৮ রানের জুটিতে যখন নির্বিঘ্নেই লাঞ্চে পৌঁছে যাচ্ছে দল, তখনই আঘাত হানেন সানদাকান। বলের লাইন একদমই বুঝতে পারেননি ইমরুল, প্যাডে লাগলে আঙুল তুলতে দেরি করেননি আম্পায়ার। রিভিউ নেওয়ার কথা ভাবলেও শেষ পর্যন্ত আর নেননি ইমরুল, নিলেও অবশ্য লাভ হতো না। সেশনের শেষ বলে উইকেট পেয়ে হাসিমুখেই মাঠ ছাড়েন চান্ডিমালরা। ফলে লাঞ্চের আগে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে ১০২ রান।